অবশেষে এলো সেই ক্ষণ। উত্তর মিললো সকল প্রশ্নের। মাহমদুল্লাহকে ছাড়াই বিশ্বকাপে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সাবেক এই অধিনায়ককে বাদ দিয়েই আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড(বিসিবি)। বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ত্রিদেশীয় সিরিজেও খেলবে একই দল।

 

বুধবার দুপুর আড়াইটার পর মিরপুরে বিসিবির কার্যালয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাংলাদেশ দল ঘোষণা করেছে দলের নির্বাচক মিনহাজুল আবেদি নান্নু ও হাবিবুল বাশার সুমন।

 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তার জায়গায় বিশ্বকাপ দলে সুযোপ পেয়েছেন তরুণ ইয়াসির আলী রাব্বী। চোটের কারণে এশিয়া কাপের দলে না থাকলেও রিয়াদের বয়স আর ফর্মহীনতা বিচারেই বিশ্বকাপের স্কোয়াডে জায়গা করে নিয়েছেন রাব্বী। চোট কাটিয়ে বিশ্বকাপের স্কোয়াডে ফিরেছেন লিটন দাস, হাসান মাহমুদ, নুরুল হাসান সোহান।

 

অস্ট্রেলিয়ার পেস সহায়ক উইকেটে মুস্তাফিজ, তাসকিন, এবাদতের সঙ্গী হবেন হাসান মাহমুদ। প্রথাগত স্পিনার হিসেবে দলে জায়গা করে নিয়েছেন নাসুম আহমেদ। দল ঘোষণার আগে মাহমুদুল্লাহর থাকা বা না থাকাসহ আরেকটি জায়গা নিয়ে চলছিলো বিস্তর আলোচনা। উদ্বোধনী জুটিতে লিটন দাসের সঙ্গী হবেন কে? ১৫ সদস্যের দলে লিটনের সঙ্গে স্বীকৃত ওপেনার হিসেবে রাখা হয়েছে শুধুমাত্র নাজমুল হোসেন শান্তকে। এই নামটিই অবাক করেছে সকলকে। সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দলে ছিলেন শান্ত। খারাপ ফর্মের কারণে বাদ পড়েছিলেন এশিয়া কাপের স্কোয়াড থেকে। সৌম্য সরকারকে নিয়ে গুঞ্জন শোনা গেলেও তাকে রাখা হয়েছে স্ট্যান্ড বাই হিসেবে।

 

শান্ত থাকলেও বিশ্বকাপে ওপেনিং জুটিতে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনাই বেশি। শান্তকে রাখা হয়েছে ব্যাকআপ হিসেবে বলেই জানিয়েছেন নির্বাচকরা। এশিয়া কাপের শেষ ম্যাচের মতোই মিরাজ বা সাব্বিরকে ওপেনিংয়ে নিয়ে আসার ইঙ্গিতও সেখানে স্পষ্ট। এশিয়া কাপের স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন এনামুল হক বিজয়, মোহাম্মদ নাইম, পারভেজ ঈমন। আফিফ হোসেন, মেহেদি হাস্ন মিরাজ আর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত দলে জায়গা পেয়েছেন অনুমিতভাবেই। তবে এশিয়া কাপের দল থেকে বাদ পড়ে গেছেন শেখ মাহেদি হাসান। তাকে রাখা হয়েছে স্ট্যান্ড বাই হিসেবে। পেসার শরিফুল ইসলাম আর লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনও রয়েছেন স্ট্যান্ড বাই তালিকায়।

 

বাংলাদেশ দল: সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), লিটন কুমার দাস, আফিফ হোসেন, সাব্বির রহমান, ইয়াসির আলী রাব্বী, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, কাজী নুরুল হাসান সোহান, মেহেদি হাসান মিরাজ, মুস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন, নাজমুল হোসেন শান্ত, নাসুম আহমেদ, হাসান মাহমুদ।

 

স্ট্যান্ড বাই: শরিফুল ইসলাম, রিশাদ হোসেন, শেখ মেহেদি হাসান, সৌম্য সরকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই মাত্র পাওয়া খবর

চাকমারকুল মিয়াজীপাড়ায় মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা সম্পন্ন। মোহাম্মদ নোমান রামু কক্সবাজার প্রতিনিধি। শুক্রবার (২৭ জানুয়ারী ,২০২৩ইং) রাত ৮.০০ টায় রামু উপজেলার চাকমারকুল ইউনিয়নের মিয়াজীপাড়ায় ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান ব্যাপক দর্শক সমাগমের মধ্য দিয়ে বহুল প্রশংসিত এবং প্রত্যাশিত সী-গ্রীন স্পোর্টিং ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত মিনি বার ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২-২৩ এর ফাইনালখেলা সম্পন্ন হয়েছে। উক্ত ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন কলঘর বাজার সিনিয়র ফুটবল দল বনাম মালুম ঘাট ফুটবল দল। মাঠে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে মালুম ঘাট ফুটবল দলকে ১-০ গোলে পরাজিত করে কলঘর বাজার সিনিয়র ফুটবল দল চ্যাম্পিয়ন হয়।উক্ত খেলায় সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন কলঘর বাজার সিনিয়র ফুটবল দলের খেলোয়াড় আয়াত উল্লাহ। খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে ট্রফি সহ নগদ ৫০,০০০ টাকা,পরাজিতদের হাতে ট্রফিসহ নগদ ২০০০০ টাকা পুরস্কার তুলে দেন চাকমারকুল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব মুফিদুল আলম (মুফিদ)। সী-গ্রীন স্পোর্টিং ক্লাবের উপদেষ্টা জনাব সরওয়ার আলমের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাকমারকুল ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার জনাব সাহাব উদ্দিন, ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার জনাব বেলাল উদ্দীন শাহীন, ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার জনাব নুরুল ইসলাম নুরু ১,২,৩ ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার জনান্বা আল মর্জিনা, ৪,৫,৬নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার গুলজার বেগম ৭,৮,৯১নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার মরিয়ম বেগম,সমাজ সেবক আমির হোসেন সিকদার, যুব নেতা সালাহ উদ্দীন জনাব সাইফুল ইসলামসহ প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুফিদুল আলম বলেন, যুব সমাজকে খেলাধূলার প্রতি আগ্রহী করে তাদেরকে রক্ষা করতে হবে। যুবসমাজকে রক্ষা করতে পারে একমাত্র ক্রীড়া জগত। তাই বেশি বেশি করে খেলাধূলার আয়োজন করতে হবে। উক্ত টুর্ণামেন্টের পরিচালনায় ছিলেন জানে আলম,ন্হুমায়ুন বিন কাসেম হিরু,জামাল হোসেন,কায়সার,জামশেদ,আশেক,হামিদুর রহমান,মনছুর,সোহেল,মনজুর,জাহেদুল ইসলাম,নুরুসহ প্রমুখ

Don`t copy text!
%d bloggers like this: