সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা সগুনা ইউনিয়ন ধামাইচ বাজার  থেকে গুরুদাসপুর  চালান হওয়ার পথে ধামাইচ বাজারে থেকে ৫০ টি পাখিকে উদ্ধার করেছেন ৩নং সগুনা ইউনিয়নের আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী মোঃ নাছির সরদার। 

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর)  সকাল ১০ টার সময়  এই ৫০ টি পাখিগুলোকে ধামাইচ বাজার থেকে  অবমুক্ত করা হয়। 

 
পাখি শিকারিরা খাঁচায় করে  ওই পাখিগুলো নিয়ে যাচ্ছিল গুরদাসপুর উপজেলার কাছিকাটা বিশ্বরোডে। এ সময় পাখি গুলো জব্দ করা হয়। এ সময় পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। পাখিগুলোর মধ্য ছিল বক, চড়ই, পানকৌড়িসহ কয়েক প্রজাতির পাখি। 

 ৩নং সগুনা ইউনিয়নের আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী মোঃ নাছির সরদার জানান, গোপনে সংবাদ পাই পাখি শিকারিরা ৫০টি পাখি  গুরদাসপুর উদ্দেশ্যে ধামাইচ থেকে কাছিকাটা বিশ্বরোড মোড় দিয়ে অটোরিকশা  করে  নিয়ে যাচ্ছে। 

এ সময় আমি ও মোঃ রুবেল আলী, নাজমুল হাসান,  শিহাব উদ্দিন,  জাহাঙ্গীর আলমকে মোবাইলে বিষয়টি জানাই। তাঁদের সহায়তায় আমি অটোরিকশা  আটকাতে সক্ষম হই। 

জানা যায়, শীতের আগে যখন বন্যার পানি কমতে থাকে তখন বকসহ বিভিন্ন পরিযায়ী পাখি চলনবিলের আশপাশে দল বেঁধে আসতে থাকে। তখন পাখি শিকারিরা এসব পাখি শিকার করতে ফাঁদ পাতে। পরে পাখিগুলো গুরুদাসপুর  হয়ে রাতের অন্ধকারে বিভিন্ন এলাকায়  চালান দেয় একটি চক্র। 

শিহাব উদ্দিন বলেন, নাছির ভাইয়ের কথা মতো পাখিগুলো আটকানোর জন্য ধামাইচ বাজার মোড়ে অবস্থান নেই আমরা কয়েকজন মিলে। পরে আমাদের সঙ্গে এলাকার সাধারণ জনগণ শরিক হয়। কিছুক্ষণ পরে খাঁচায়  করে পাখিগুলো আমাদের সামনে আসে। আমরা পাখিগুলো জব্দ করি। এরপর নাছির ভাই এসে স্থানীয়দের সহায়তা নিয়ে খাঁচার  মুখ খুলে পাখি গুনে দেখা যায় ৫০টি পাখি আছে। পরে সবগুলো পাখি অবমুক্ত করা হয়।’ 

তাড়াশ উপজেলার বন কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাসান  বলেন, বিষয়টি আমার নজরে আসে নাই। তবে ধন্যবাদ যারা পাখিগুলো অবমুক্ত করেছে। পাখি শিকারিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছি। 

তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেজবাউল করিম   বলেন, এটি একটি ভালো উদ্যোগ। তাঁর কাজকে সাধুবাদ জানাই। উপজেলা প্রশাসন পাখি শিকারিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করবে এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Don`t copy text!
%d bloggers like this: