সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ০৮:১৭ অপরাহ্ন
Logo
সংবাদ শিরোনামঃ
ব্রীজ ধসে চলাচলের পথ বন্ধ আগৈলঝাড়ায়,,,,,, জগন্নাথপুরে সুইচগেট সহ নদী, নালা, খাল, বিলের পানি দ্রুত নিস্কাসনের দাবীতে মানববন্ধন প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর ঐতিহাসিক প্লাটিনাম জুবিলী’র ৭৫ তম জয়ন্তী উপলক্ষে বিরামপুরে বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালী বানারীপাড়ায় শিশুর বলৎকার অভিযোগে রফিক নামে গ্রেফতার এক “যুব সমাজকে মাদক ও মোবাইল গেমিং থেকে ফেরাতে উদ্বুদ্ধকরণ এস আই নাজমুল আলম এর” তাহিরপুরে বিদ্যুৎ স্পর্শে এক ইলেকট্রিসিয়ানের মৃত্যু বাকেরগঞ্জে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বর্নাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে আগৈলঝাড়ায় আওয়ামী লীগ’এর ৭৫তম প্লাটিনাম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত তাহিরপুর টাঙ্গুয়া হাওরে পর্যটকদের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

আট ঘণ্টা শ্রম দিয়ে ২০০ টাকা মজুরি পান সত্তোরোর্ধ্ব সাত্তার

Reporter Name / ৩৬ Time View
Update : বুধবার, ১ মে, ২০২৪

মাথার উপরে গনগনে সূর্য। বৃষ্টিহীন তপ্ত বৈশাখের দুপুর। সঙ্গে ইটভাটার ছাই কয়লা আর আগুনের গরম। এর মধ্যে, কাঁচা ইট উল্টে দেওয়ার কাজ করছেন বৃদ্ধ সাত্তার শেখ (৭৫)।

বুধবার (১ মে) মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা সদরের আরব ব্রিকস নামের ইটভাটায় গেলে দেখা মেলে এ দৃশ্যের। একটু এগিয়ে গিয়ে বৃদ্ধের সঙ্গে কথা বলেন এ প্রতিবেদক।

সাত্তার শেখ জানান, তার বাড়ি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায়। দুবেলা দুমুঠো খাওয়ার জন্য এই বয়সেও তাকে কাজ করতে হচ্ছে। কারণ পরিবারে উপার্জনক্ষম আর কেউ নেই। এক ছেলে দশ বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে। দুই মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন। স্ত্রী মাজেদা বেগমও তার সঙ্গে ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করেন।

সাত্তার শেখ বলেন, ইটের চারপাশ রোদে শুকানোর জন্য উল্টে দিতে হয়। ইটভাটায় সবচেয়ে সস্তা শ্রমের কাজ ইট উল্টানো। সাধারণত বৃদ্ধ ও শিশুরা এ কাজ করে থাকে। ইটভাটায় কাজ করা শ্রমিকদের সন্তান ও দীর্ঘদিনের পুরনো কর্মীদের এই কাজ দেওয়া হয়।

সত্তোরোর্ধ্ব এই বৃদ্ধ বলেন, প্রতিদিন গড়ে ৪-৫ হাজার ইট উল্টাতে হয়। ভোর ৬টায় কাজ শুরু করে মাঝে একবার বিরতি নিয়ে দুপুর ২টা পর্যন্ত কাজ করি। আট ঘণ্টার মতো কাজ করে মজুরি হিসেবে ২০০ টাকা পাই। সব মিলিয়ে মাসে ৫-৬ হাজার টাকা। কারণ কাজ না করলে মজুরি পাওয়া যায় না।

সাত্তার জানান, ইটভাটার সারা বছর কাজ থাকে না। বছরে ৪-৫ মাস কাজ হয়। এরপর বাড়ি ফিরে যান। সেখানে কৃষি জমিতে শ্রম দেন। কিন্তু সে সময় আরও বেশি কষ্টে দিন কাটে। তখন ইটভাটার মালিকের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নেন। পরের বছর কাজ করে সেটা পরিশোধ করেন।

 

সাত্তারের স্ত্রী মাজেদা বলেন, আমাদের কষ্টের কথা শুনে কী লাভ? জীবনটাই চলে গেছে কষ্টের মধ্যে। যতদিন নিশ্বাস আছে কাজ করেই খেতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Limon Kabir