রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
Logo
সংবাদ শিরোনামঃ
বর্ষিয়ান আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী মতান্তরে কামাল হোসেন পাটোয়ারী, মাটির পেটে। পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা সবাই কে জানিয়েছেন জনপ্রিয় কৌতুক ও নাট্য অভিনেতা সাংবাদিক মনোয়ার হোসেন সেলিম। গাজীপুরে শ্রমিক হত্যার দুই জনকে গ্রেফতার। পঞ্চগড় এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার,, ঈদুল আযহা উপলক্ষে তাহিরপুরে ভিজিএফের চাল বিতরণ সুনামগঞ্জে তরুণ-তরুণীকে মারধরের মামলায় ধরাছোয়ার বাইরে ভিডিও ভাইরালকারী দুই আসামী বিশ্বের মুসলমান ও দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছে মাহবুব মাস্টার তাড়াশে পুলিশের উপর হামলা: গ্রেফতার ৪ তাড়াশ উপজেলা বাসীকে ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এ এস আই মোঃ মোতাসিম বিল্লাহ। সুনামগঞ্জে তরুণ-তরুণীকে মারধরের মামলায় ধরাছোয়ার বাইরে ভিডিও ভাইরালকারী দুই আসামী

স্বাধীনতার ৫২বছর পেরিয়ে গেলেও স্বীকৃতি পায়নি শ্যামনর উপজেলার ৩৩ পরিবার।

Reporter Name / ৫ Time View
Update : শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৩

রাকিবুল হাসান
(সাতক্ষীরা)শ্যামনগরপ্রতিনিধিঃ

স্বাধীনতার ৫২ বছর পেরিয়ে গেলেও স্বীকৃতি পায়নি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের হরিনগর ও সিংহড়তলী গ্রামের ৩৩টি শহীদ পরিবার।
নির্মাণ করা নামফলকে তাদের নাম থাকলেও শহীদ পরিবারের স্বীকৃতি পেতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে শহীদ পরিবারের সদস্যরা।
বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের স্বরণাপন্ন হয়েছে তারা ৷ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কয়েক বার তদন্ত হয়েছে। শেষমেষ অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুব আলম এসে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করলেও সবশেষ অবস্থা জানাযায়নি ৷
বারী সানা ছেলে রাশেদ বলেন, স্বাধীনতার এতো বছর পেরিয়ে গেলেও কোন নিদর্শন নেই। সরকারি ভাবে নির্মিত হয়নি স্মৃতি ফলক। দুঃখের বিষয় হল দেশের জন্য জীবন দিয়েও এখনো পর্যন্ত স্বীকৃতি জোটেনি তাদের কপালে।
সেদিনের সেই লোমহর্ষক ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্না জড়িত কন্ঠে গুণধর বীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস বলেন,যে দিন খানসেনাদের হাতে বাবা শহীদ হয়েছেন ৷ সেদিন থেকে সব হারিয়েছি ৷ এখন চাওয়া পাওয়া কিছু নেই ৷ শুধু তাদের স্বীকৃতি দেওয়া হোক।
প্রসঙ্গত ১৯৭১সালের ১৪ই এপ্রিল সোমবার পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী হরিনগর ও সিংহড়তলী গ্রামে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। দুটি গ্রামে আগুন জ্বালিয়ে সেখান থেকে তেত্রিশ জন নিরপরাধ মানুষকে ধরে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে তাদেরকে আইবুড়ী নদীর চরে লাইনে দাঁড় করিয়ে ব্রাশ ফায়ার করে। সেখানেই ২৮ জন প্রাণ হারায়। তাদের মরদহ পার্শ্ববর্তী আইবুড়ী নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। ঐ দিনের হামলায় নিহত হন, হরিনগর গ্রামের খগেন্দ্রনাথ মন্ডল, নিলশ্বর মন্ডল, জিতেন্দ্র নাথ মন্ডল, অজিত মন্ডল, সুরেন্দ্রনাথ মন্ডল, খগেন্দ্রনাথ মন্ডল, রামেশ্বর মন্ডল, কালিপদ মন্ডল, কার্তিক চন্দ্র মন্ডল, হরেন্দ্রনাথ মন্ডল, মহাদেব মন্ডল, ডাক্তার বিহারীলাল মন্ডল, অধর মন্ডল, অধীর মন্ডল, বিপিন, মহাদেব, মহাদেব,দাউদ গাজী, হাতেম গাজী, আদম গাজী, সৈয়দ গাজী, বিপিন পাঠনি, আব্দুল বারী সানা, ধীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস,মুন্সীগঞ্জ গ্রামের অধীর, সুরেন্দ্রনাথ মন্ডল ও কৃষ্ণপদ গাইন ৷ নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পান ৫ জন ৷ গিরেন মন্ডল, বাবুরাম মন্ডল, মনোরঞ্জন মন্ডল, বৈষ্ণব মন্ডল ও সূর্যকান্ত মন্ডল।
মহান মুক্তিযুদ্ধে একই স্থানে এতগুলো মানুষের প্রাণহানির একটি স্মৃতিফলক নির্মিত হোক এমনটাই প্রত্যাশা এই উপকূলের মানুষের। বিষয়টি নিয়ে শ্যামনগর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা নাজিবুল আলম রাতুল বলেন, বিষয়টা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে আমি নতুন এসেছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Limon Kabir