রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
Logo
সংবাদ শিরোনামঃ
বর্ষিয়ান আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী মতান্তরে কামাল হোসেন পাটোয়ারী, মাটির পেটে। পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা সবাই কে জানিয়েছেন জনপ্রিয় কৌতুক ও নাট্য অভিনেতা সাংবাদিক মনোয়ার হোসেন সেলিম। গাজীপুরে শ্রমিক হত্যার দুই জনকে গ্রেফতার। পঞ্চগড় এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার,, ঈদুল আযহা উপলক্ষে তাহিরপুরে ভিজিএফের চাল বিতরণ সুনামগঞ্জে তরুণ-তরুণীকে মারধরের মামলায় ধরাছোয়ার বাইরে ভিডিও ভাইরালকারী দুই আসামী বিশ্বের মুসলমান ও দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছে মাহবুব মাস্টার তাড়াশে পুলিশের উপর হামলা: গ্রেফতার ৪ তাড়াশ উপজেলা বাসীকে ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এ এস আই মোঃ মোতাসিম বিল্লাহ। সুনামগঞ্জে তরুণ-তরুণীকে মারধরের মামলায় ধরাছোয়ার বাইরে ভিডিও ভাইরালকারী দুই আসামী

জমিজমা নিয়ে ২৫ বছর আগে বাবাকে হত্যা, আইনজীবী হয়ে বিচার নিশ্চিত করলেন ছেলে

Reporter Name / ৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৩

নিউজ ডেক্সঃ

সালটা ১৯৯৮। ২১ মে রাত সাড়ে ৮টা। জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে হত্যা করা হয় বাবাকে। তখন ছেলের বসয় মাত্র ১২ বছর। পড়েন পঞ্চম শ্রেণিতে। মায়ের চাওয়া ছিল ছেলে বড় হয়ে আইনজীবী হবে এবং বাবা হত্যার বিচার করবে।

সিনেমার গল্পের মতো ২৫ বছর পর সত্যিই মায়ের স্বপ্ন পূরণ হলো। বাবা হারানোর শোক বুকে নিয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ছেলে হয়েছেন আইনজীবী। ওই মামলায় বাবার হয়ে লড়েছেন তিনি। রায়ে চার আসামির মৃত্যুদণ্ড ও একজনের যাবজ্জীবন দিয়েছেন আদালত।

বলছিলাম কুমিল্লা কোর্টের আইনজীবী আবু নাসেরের কথা। চাঞ্চল্যকর এ রায়ে খুশি অন্য আইনজীবীরাও।

সোমবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক রোজিনা খান এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন বরুড়া উপজেলার পরানপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে ইউসুফ, বনি আমিন, ইউসুফের ভাতিজা সোলায়মান এবং শ্যালক আব্দুল হক। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ইউসুফের বড় বোন রজ্জবী বিবি।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ১৯৯৮ সালের ২১ মে ফার্নিচার ব্যবসায়ী শহীদ উল্লাহর সঙ্গে আসামিদের বাগবিতণ্ডা হয়। এর জেরে ওইদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে তারা শহীদ উল্লাহকে পরানপুর বাজারের পশ্চিম পাশের জমিতে ডেকে নেন। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। পরে স্বজনরা উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান শহীদ উল্লাহ।

এ ঘটনার পরদিন নিহতের ছোট ভাই আমান উল্লাহ বাদী হয়ে ১৫ জনকে আসামি করে বরুড়া থানায় মামলা করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা বরুড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সৈয়দুল মোস্তফা ইউসুফসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। এদের মধ্যে ইউসুফসহ পাঁচজনের অপরাধ প্রমাণিত হলে চারজনের মৃত্যুদণ্ড এবং একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি নুরুল ইসলাম বলেন, ১৯৯৮ সালের এ মামলায় আমরা ২৬ জনের মধ্যে ২০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য উপস্থাপনে সক্ষম হয়েছি। আদালত যে রায় দিয়েছেন তাতে আমরা খুশি।

নিহত শহীদ উল্লাহর ছেলে মামলার আইনজীবী আবু নাসের জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমার বাবাকে যখন মেরে ফেলা হয় তখন আমি পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিলাম। আমার মা আমাকে ছোটবেলা থেকে একটাই শিক্ষা দিয়েছেন যেন আমি বড় হয়ে আইনজীবী হই এবং আমার বাবা হত্যায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে পারি। আমি আমার মায়ের অনুপ্রেরণায় বাবার খুনিদের বিচার নিশ্চিত করতে আইনজীবী হয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘২৫ বছর পর হলেও একজন সন্তান হিসেবে বাবা হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে পেরে আমি আনন্দিত। মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া। আদালতের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Limon Kabir