সিরাজগঞ্জে গরুর গাড়ি এখন বিলুপ্তির পথে। অথচ এক সময় গ্রামবাংলায় গরুর গাড়িই ছিল যোগাযোগের একমাত্র বাহন। সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় কালের পরিক্রমায় সেই ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ি এখন শুধুই অতীতের স্মৃতি। গ্রামগঞ্জে আঁকাবাঁকা মেঠো পথে ধীরে ধীরে চলা গরুর গাড়ি এখন আর চোখে পড়ে না।
 
জানা যায়, এসব গরুর গাড়ির চালককে বলা হতো গাড়িয়াল। গ্রামগঞ্জে বিয়ের বরকনে যাওয়া-আসা করত গরুর গাড়িতে। রাত-দুপুরে, ঘন অন্ধকারে বা জ্যোত্স্নার আলোয় আঁকাবাঁকা মেঠোপথে গাড়িয়াল গরুর গাড়ি করে বাড়ি পৌঁছে দিতো। গরুর গাড়িতে যাত্রীদের বসার জন্য পাটাতন রাখা হয়। পাটাতন বানানো হতো বাঁশ বা কাঠ দিয়ে। এ ছাড়া যাত্রীদের রোদবৃষ্টির হাত থেকে রক্ষা করতে গাড়ির ওপরে বসানো হতো ‘ছই’।
 
বিশেষজ্ঞদের অনুমান, ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ বছর আগেই সিন্ধু অববাহিকা ও ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে গরুর গাড়ির প্রচলন ছিল। সেখান থেকে ক্রমে ক্রমে ছড়িয়ে পড়েছে গ্রামবাংলার আনাচেকানাচে।
 

Leave a Reply

Your email address will not be published.