মাসুদ আলী পুলক

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১১টার দিকে তাদের জামিনে মুক্তিদেন এমএম-১ রাজশাহীর বিজ্ঞ আদালত।
জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত সাংবাদিক দু’জন হলেন, রাজশাহী থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক বাংলার বিবেক পত্রিকার ফটো সাংবাদিক মোঃ মামুনুর রহমান এবং সাপ্তাহিক বাংলার বিবেক ও জাতীয় দৈনিক সময়ের কাগজ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মাসুদ আলী পুলক।
এরপর দুপুর সাড়ে তিনটায় তাদের জেলগেটে ফুলের মালা পরিয়ে বরন করেন সহকর্মী বিভিন্ন গণমাধ্যেমের সাংবাদিকবৃন্দ।
এর আগে গত (২৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১১টার দিকে মহানগরীর নিউমার্কেটের সামনে অবস্থিত শিরোইল পুলিশ ফাঁড়ীর সামনে থেকে বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি মোঃ মাজহারুল ইসলাম ও সঙ্গীয় ফোর্স তাদের আটক করেন।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক মোঃ মামুনুর রহমান ও মোঃ মাসুদ আলী পুলক
জানায়, ব্যক্তিগত কাজে তারা তাদের এক বন্ধুর সাথে দেখা করতে নিউমার্কেট এলাকায় যায়। কিন্তু বন্ধুর সাথে কথা দেখা হওয়ার আগেই তাদের আটক করেন ওসি। আটকের কারন জানতে চায় সাংবাদিক পুলক, উত্তরে ওসি বলেন, ফেসবুকে আমার নামে স্ট্যাটাস দাও এতবড় সাহস। যা ইচ্ছা আরও লিখেন। এখন গাড়িতে ওঠেন। আমাদের অপরাধ ? এমন প্রশ্নে উত্তরে ওসি বলেন, একটু আগে মারামারি করেছেন মামলা দিবো আদালতে প্রমান করেন। এরপর তাদেরকে পিকআপ যোগে থানায় নিয়ে, হাজতে রাখেন। পরদিন (২৮ নভেম্বর) দুপুর দেড়টায় মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরণ করেন। ততক্ষনে আদালতের সময় শেষ। জামিন ধরার সুযোগও পাননি সাংবাদিকদের স্বজনরা।
রাজশাহী রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাচিত সভাপতি আব্দুল মুগণী নীরো বলেন, পুরো রাজশাহী মহানগরীতে সকল প্রকার আপরাধ দমনে আরএমপি পুলিশ কমিশনার মোঃ আবু কালাম সিদ্দিক এর দিক নির্দেশনায় সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। এর সাফল্য ভোগ করছেন জনগণ। তাছাড়া আরএমপি যে কোন অপরাধ সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখে অপরাধী সনাক্ত করছেন এবং আইগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। এরমধ্যে কেউ কোন মামলা দিলে ফুটেজ না দেখেই মামলা আমলে নিচ্ছেন এটা রিতিমতো হয়রানী।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এবং পুলিশে আইজিপি মহাদয় অকারনে সাংবাদিককে হয়রানী না করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তারপরও অনুসন্ধান, তথ্য প্রমান ও তদন্ত না করে কিভাবে সাংবাদিককে আটক করলেন ওসি। এই নিয়ে সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিক হয়রানী বন্ধে পুলিশ আর এমএমপি পুলিশ কমিশনার এর সৃদৃষ্টি কামনা এবং ভিডিও ফুটেজ দেখে এই মামলার প্রকৃত আসামীদের চিহিৃন করা করা হোক। সেই সাথে ওসির ব্যক্তিগত অক্রোশের শিকার সাংবাদিকদের দ্রুত চুড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা দাবি জানান এই সাংবাদিক নেতা।
অন্যথায় সকল সাংবাদিকদের সাথে নিয়ে মানববন্ধন সহ শান্তিপূর্ণ কঠোর কর্মসূচি নিয়ে শিঘ্রই রাস্তায় দাড়াঁবেন বলেও জানান এই সাংবাদিক নেতা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই মাত্র পাওয়া খবর

চাকমারকুল মিয়াজীপাড়ায় মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা সম্পন্ন। মোহাম্মদ নোমান রামু কক্সবাজার প্রতিনিধি। শুক্রবার (২৭ জানুয়ারী ,২০২৩ইং) রাত ৮.০০ টায় রামু উপজেলার চাকমারকুল ইউনিয়নের মিয়াজীপাড়ায় ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান ব্যাপক দর্শক সমাগমের মধ্য দিয়ে বহুল প্রশংসিত এবং প্রত্যাশিত সী-গ্রীন স্পোর্টিং ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত মিনি বার ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২-২৩ এর ফাইনালখেলা সম্পন্ন হয়েছে। উক্ত ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন কলঘর বাজার সিনিয়র ফুটবল দল বনাম মালুম ঘাট ফুটবল দল। মাঠে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে মালুম ঘাট ফুটবল দলকে ১-০ গোলে পরাজিত করে কলঘর বাজার সিনিয়র ফুটবল দল চ্যাম্পিয়ন হয়।উক্ত খেলায় সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন কলঘর বাজার সিনিয়র ফুটবল দলের খেলোয়াড় আয়াত উল্লাহ। খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে ট্রফি সহ নগদ ৫০,০০০ টাকা,পরাজিতদের হাতে ট্রফিসহ নগদ ২০০০০ টাকা পুরস্কার তুলে দেন চাকমারকুল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব মুফিদুল আলম (মুফিদ)। সী-গ্রীন স্পোর্টিং ক্লাবের উপদেষ্টা জনাব সরওয়ার আলমের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাকমারকুল ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার জনাব সাহাব উদ্দিন, ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার জনাব বেলাল উদ্দীন শাহীন, ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার জনাব নুরুল ইসলাম নুরু ১,২,৩ ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার জনান্বা আল মর্জিনা, ৪,৫,৬নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার গুলজার বেগম ৭,৮,৯১নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার মরিয়ম বেগম,সমাজ সেবক আমির হোসেন সিকদার, যুব নেতা সালাহ উদ্দীন জনাব সাইফুল ইসলামসহ প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুফিদুল আলম বলেন, যুব সমাজকে খেলাধূলার প্রতি আগ্রহী করে তাদেরকে রক্ষা করতে হবে। যুবসমাজকে রক্ষা করতে পারে একমাত্র ক্রীড়া জগত। তাই বেশি বেশি করে খেলাধূলার আয়োজন করতে হবে। উক্ত টুর্ণামেন্টের পরিচালনায় ছিলেন জানে আলম,ন্হুমায়ুন বিন কাসেম হিরু,জামাল হোসেন,কায়সার,জামশেদ,আশেক,হামিদুর রহমান,মনছুর,সোহেল,মনজুর,জাহেদুল ইসলাম,নুরুসহ প্রমুখ

Don`t copy text!
%d bloggers like this: