র‍্যাব-৭ এর অভিযানে বড় সাফল‍্য ২ লক্ষ ৮৪ হাজার ইয়াবা
৩ রোহিংগাসহ আটক ৪

এম ডি বাবুল চট্রগ্রাম জেলা

দূর্গম পাহাড়ি রাস্তায় মায়ানমার হতে ইয়াবা পাচারকালে ২ লক্ষ ৮৪ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারপূর্বক র‌্যাব-৭, চট্টগ্রামের হাতে ৩ জন রোহিংগা নাগরিকসহ ৪ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক।

“বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই স্লোগান নিয়ে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন ধরণের অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে জোড়ালো ভূমিকা পালন করে আসছে। র‌্যাব সৃষ্টিকাল থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম অস্ত্রধারী সস্ত্রাসী, ডাকাত, ধর্ষক, দুর্ধষ চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতার এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করায় সাধারণ জনগনের মনে আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানাধীন জালিয়াপালং এলাকার জনৈক জাবেদের বসত ঘরে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মজুদ করেছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৪ জুন ২০২২ ইং তারিখ ০৩৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল বর্নিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। আবু সৈয়দ (২৩) (রোহিঙ্গা), পিতা- নুর হোসেন, সাং- কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-০১, থানা- উখিয়া, জেলা- কক্সবাজার, ২। মোঃ মুশিত আলম (২৮) (রোহিঙ্গা), পিতা- আবুল বশর, সাং- কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-০১, থানা- উখিয়া, জেলা- কক্সবাজার, ৩। মোঃ সেলিম (২৫) (রোহিঙ্গা), পিতা- মৃত নাজের,সাং-কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-০১, থানা- উখিয়া, জেলা- কক্সবাজার এবং ৪। মোঃ আব্দুল হাকিম (৪৫), পিতা- আলী আহম্মদ, সাং- সোনাগোনা, থানা-উখিয়া, জেলা- কক্সবাজার’দের আটক করে। পরবর্তীতে উপস্থিত স্বাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামীদের হাতে থাকা প্লাষ্টিকের বস্তার ভিতর হতে তাদের নিজ হাতে বের করে দেয়া মতে ইট সাদৃস্য স্কচটেপ ও কাগজ দ্বারা মোড়ানো অবস্থায় মোট ২ লাখ ৮৪ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ আসামীদের’কে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ মায়ানমার সীমান্ত হতে ইয়াবা সরবরাহকারী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ইয়াবা সংগ্রহ পূর্বক পরবর্তীতে তা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম এবং ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট পাচার করে আসছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ০৮ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা।

গ্রেফতারকৃত আসামীগণ এবং উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Don`t copy text!
%d bloggers like this: