রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। এতে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দুই হাজারের বেশি রাষ্ট্রপ্রধান এবং বিদেশি বিশিষ্ট অতিথি। বিশ্বের বহু দেশের রয়েল পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত আছেন।

 

সোমবার স্থানীয় সময় আজ সোমবার সকাল ১১টায় ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবেতে এই আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

 

 

এর আগে স্টেট গান ক্যারেজের নাবিকরা রানির কফিন নিয়ে ওয়েস্টমিনস্টার হল থেকে ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে পৌঁছান। এসময় রাজা তৃতীয় চার্লস এবং রাজপরিবারের অন্য জ্যেষ্ঠ সদস্যরা তাদের পেছনে ছিলেন।

 

 

 

ব্রিটিশ রাজসিংহাসনের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় শাসন করা রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ গত ৮ সেপ্টেম্বর স্কটল্যান্ডের বালমোরাল প্রাসাদে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ৯৬ বছর বয়সী রানির মৃত্যুতে ব্রিটেনজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া। পরবর্তীতে রানির জ্যেষ্ঠ পুত্র তৃতীয় চার্লস নতুন রাজা হিসেবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

 

৮ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রানির মৃত্যুতে রাজপরিবারের রীতি অনুযায়ী বিভিন্ন শোক পালন করা হয়। গত চারদিন সাধারণ জনগণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ব্রিটিশ সরকারের প্রাণকেন্দ্র ওয়েস্টমিনিস্টার প্যালেসের সবচেয়ে পুরনো অংশে অবস্থিত বিশাল হলঘরে রাখা হয়।

 

২০০২ সালে সর্বশেষ এই হলঘরে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মা কুইন মাদারের মরদেহ রাখা হয়েছিল। তখন দুই লাখ মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে রানির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেছিলেন।

 

 

 

লন্ডনের ওয়েস্টমিনিস্টার হলে স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে রানিকে জনগণের শ্রদ্ধা জানানো শেষ হয়েছে।

 

ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবে একটি ঐতিহাসিক গির্জা। এখানেই ১৯৫৩ সালে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের অভিষেক অনুষ্ঠান হয়েছে। আর এখানেই ১৯৪৭ সালে প্রিন্স ফিলিপের সঙ্গে বিয়ে হয়। তবে অষ্টাদশ শতাব্দীর (১৭৬০ সালের) পর থেকে এই গির্জায় কোনো রাজা বা রানির শেষকৃত্যানুষ্ঠান হয়নি। ২০০২ সালে সর্বশেষ রানির শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। রানির অন্ত্যোষ্টিক্রিয়ায় যোগদানের জন্য বিশ্বের সব দেশের নেতৃবৃন্দকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে বেলারুশ, রাশিয়া ও মিয়ানমারকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Don`t copy text!