দৈনিক যাত্রী চলাচল কমিয়ে আনছে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর। তাই এয়ারলাইন্সগুলোকে গ্রীষ্মকালীন টিকিট আর বিক্রি না করার পরামর্শ দিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
গ্রীষ্মকালীন ছুটির সময়ে ভ্রমণে বের হওয়া বাড়তি যাত্রীর চাপ এবং তাদের চাহিদা অনুযায়ী সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা না থাকায় হিথ্রো এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে।

গ্রীষ্মের ব্যস্ততম সময়ে দৈনিক যাত্রীর সংখ্যা কমিয়ে ১ লাখ করা হচ্ছে। এই সংখ্যা বর্তমানে ভ্রমণ শিডিউল থাকা যাত্রীসংখ্যার চেয়ে ৪ হাজার কম। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যাত্রীসংখ্যা ১ লাখেই সীমিত রাখা হবে।

কোভিড লকডাউনের সময় বিভিন্ন বিমানবন্দর এবং এয়ারলাইন্স কর্মী ছাঁটাই করছে। এখন গ্রীষ্মকালে বাড়তি যাত্রীর চাপ সামলানোর মতো যথেষ্ট স্টাফ তাদের নেই। সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহে শেষ মুহূর্তে ফ্লাইট বাতিল হয়ে ভোগান্তিতেও পড়েছেন হাজারো যাত্রী।

এ পরিস্থিতির মধ্যেই বিমাবন্দরের যাত্রী কমানো এবং টিকিট আর না বিক্রির পদক্ষেপ এল। সিএনএন জানায়, হিথ্রো বিমানবন্দরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জন-হল্যান্ড-কায়ে যাত্রীদের কাছে এক খোলা চিঠিতে এই ‘কঠিন এই সিদ্ধান্ত’ ঘোষণা করেছেন।

তিনি লিখেছেন, “গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বিমানবন্দর ছেড়ে যাওয়া যাত্রীর সংখ্যা নিয়মিতই দিনে ১ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এখন দেখা যাচ্ছে, পরিষেবার মাত্রাও এত নিচে নেমে গেছে যে তা আর সন্তোষজনক অবস্থায় নেই।”

“আমাদের সহকর্মীরা যত বেশি সম্ভব যাত্রীকে সেবা দিতে সাধ্যাতীত কাজ করছেন। কিন্তু আমরা তাদেরকে নিজেদের নিরাপত্তা এবং কল্যাণের দিক থেকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারি না।”

অনেক এয়ারলাইন্সও হিথ্রো ছেড়ে যাওয়া এবং হিথ্রোতে আসা যাত্রীর সংখ্যা কমাতে কাজ করছে। কিন্তু হল্যান্ড-কায়ে বলেন, হিথ্রোর সর্বশেষ পূর্বাভাসে দেখা গেছে, ফ্লাইটের অতিরিক্ত আসন এরই মধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে। তাই এয়ারলাইন্সগুলোর এখন টিকিট বিক্রি বন্ধ করাও দরকার হয়ে পড়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.