ভোলা জেলার এওয়াজপুরে গনধর্ষক চক্রের বাড়াবাড়ি

 

মোঃ আবুল কাশেম, ভোলা জেলা প্রতিনিধিঃ

 

গণ ধর্ষক চক্রের মূল হোতা ইউনুস-আওলাদ গ‍্যাং চক্রের অত‍্যাচারে ভোলা জেলার চরফ‍্যাশন উপজেলার শশীভূষন থানার এওয়াজপুরের রফিক প্রবাসীর স্ত্রী তার পছন্দের নাগর প্রেমিকের সাথে চলে যাওয়ার সুপথে মনস্থির করেছে। সন্ত্রাসবাদী ভোলা জেলার সন্ত্রাসবাদী চরফ‍্যাশন উপজেলার সন্ত্রাসবাদী শশীভূষন থানার সন্ত্রাসবাদী এওয়াজপুর ইউনিয়নের সন্ত্রাসবাদী দুই নং ওয়ার্ডে আগত বাসিন্দা ইউনুস ডাকাত এর পিতা মৃত: তছির আহমেদ এর আদি নিবাস হলো ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলা। দৌলতখান উপজেলা হওয়ার আগেই ভোলা মহকুমা সদর এলাকার বাসিন্দা তছির আহমেদ গ‍্যাং তার ছেলে সন্তান ও বেআইনী লোকজন সহকারে সমগ্র ভোলা জেলা জুড়ে চুরি ডাকাতি ও খুন-খারাপি করে বেড়াত। বিভিন্ন এলাকায় খুন, গুম, ধর্ষণ, লুটপাট, তছরুপ, আটক, আত্মসাৎ, চোরাচালান, চোরাকারবার, চোরাচারী সহ নানাবিধ অপকর্ম-কুকর্মের চীফ অফ স্ট‍্যাফ, মূল হোতা ও লিড পারসন হিসেবে ঐ ইউনুস ডাকাতের পিতা তছির আহমেদ দেশের অশুভ শক্তি ও অবৈধ শক্তির জন‍্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে। এহেন কাজে সরকারের ও প্রশাসনের ভাবমূর্তি ধারণ করে চোরাই সহ যাবতীয় খারাপ কাজে ও বেআইনি কাজে সহযোগিতা করার জন্য তছির আহমেদ নিজেকে চৌকিদারের ভূমিকায়ও তৈরি করে। তথাপিও নিজেদেরকে – আইনী শাসন ও নদী শাসনের খড়গের হাত থেকে বাঁচাতে পারে নাই। ঊনবিংশ শতাব্দীর ত্রিশ দশকে ভোলা জেলায় লবন মূল‍্য বিপ্লবে যোগ দিয়েও তছির গ‍্যাং তাদের পুত্র সন্তান সহকারে শান্তিতে থাকতে দেখা যায় নাই। লবন মূল‍্য বিপ্লবের পরাজিত শক্তির সাথে হাত মিলিয়ে লড়াই করেও তছির গ‍্যাং চক্র জীবনের কোন সুরাহা করতে পারে নাই। সবকিছু মিলিয়ে ঐ তছির গ‍্যাং জীবনের শেষ বয়সে তার ডাকাত বাহিনীর চীফ – ইন – কমান্ড ও পুত্র ইউনুস ডাকাতের উপর ভর করে চুরি-ডাকাতির ক্ষেত্রকে প্রসারিত করার জন‍্য চরফ‍্যাশন উপজেলার এওয়াজপুরের ঠিকানায় মোতায়েনী আস্তানা গেড়েছে। এওয়াজপুরের দুই নং ওয়ার্ডে মোতায়িত আস্তানা তৈরীর পর হতেই ইউনুস এলাকার মানুষের পুকুরের মাছ লুটপাট করে, রাতের আঁধারে মানুষের ঘরবাড়ির মালামাল চুরি করে ও লুট করে, অবৈধ ও বেআইনি জনগোষ্ঠীর সহায়তায় ও দূর-দূরান্ত হতে তার স্ব-পক্ষীয় লোকজন এনে এলাকার মানুষের মানহানি করে, এলাকার উৎপাদিত পন‍্যের মানহানী করে, অন‍্যায‍্যমূল‍্যে ও অবমূল‍্যায়নের ভিত্তিতে বেচা-কেনার পরিবেশের উদ্ভব ঘটায়। এক পর্যায়ে ইউনুস এলাকার পন‍্য সামগ্রী লুটেরা মূল্যে কিংবা পঁচা বলে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। এলাকায় পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি চাষ করার নামে বর্ষাকালে জমিতে চাষ না দিয়েই জমি চাষ দিয়েছে বলে চাষের মূল্য বাবদ অন‍্যের টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেয়। নানান জনের ক্ষেতের শস‍্যও নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ও খবর পাওয়া গেছে। অনেক মা-বোনদেরকে ধর্ষণ করার খবর পাওয়া গেছে ও ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার সত‍্যতা পাওয়া গেছে। এলাকার টং দোকানে বসে বিভিন্ন মহিলাদের অনুপস্থিতিতে বিভিন্ন লোকজনের সামনে এলাকার মহিলাদেরকে ধর্ষণ করার উড়ো হুমকি-হামকি ও ধমক-ধামকি দিতে দেখা গেছে। তার সাথে কোন না কোনভাবে বনিবনা না হলে অনেককে স্বামী-স্ত্রী বিচ্ছেদ ঘটানোর কাজে নিয়োজিত থাকতেও দেখা গেছে। তাই প্রতিশোধ নেওয়ার জন‍্য এলাকার মহিলারাও বর্তমানে তার ( ইউনুসের) স্বামী-স্ত্রী বিচ্ছেদ ঘটানোরও উদ‍্যোগ নিয়েছে। এই সকল খবর ছড়িয়ে পড়ার কারণে ইউনুসের মাথা খারাপি ভাব দেখা দেওয়া শুরু করেছে। ইতিমধ‍্যে ইউনুসের দুই ভাই মন্নান ও হান্নান এর মধ‍্যকার অর্থিক লেন-দেন ও জমিজমার ভাগবাটোয়ারা সংক্রান্ত বিরোধ কেন্দ্রিক ঝগড়া-তুফান সৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। উক্ত ঝগড়া-তুফানের মূল ও নেপথ‍্য নায়কও ঐ গুন্ডা ইউনুস। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে যে, ইউনুসের এক ভাই মন্নান এর এক মেয়ে মুক্তার সাথে ইউনুসের এক শ‍্যালোক রফিকের পুত্র আওলাদের সাথে অন্ধকার রাতে ও লোক চক্ষুর আড়ালে অবৈধ-অসামাজিক মেলামেশা ও প্রেমালাপের সম্পর্ক রয়েছে। এহেন মাধ‍্যমে ইউনুস গর্দভ আওলাদের মাথায় প্রবেশ করিয়েছে যে, আওলাদের পিতা লেবারি কাজে ওমান থাকায় আওলাদের মা আওলাদের পিতাকে তালাক দিয়ে তার পছন্দের কোন নায়ক পুরুষের সাথে চলে যাওয়ার জন‍্য প্রস্তুত রয়েছে। তাই আওলাদ তার প্রেমিকা মুক্তার নিকট থেকে পাওয়া গোপন ইঙ্গিতের মাধ‍্যমে ইউনুসের দিক-নির্দেশনা মোতাবেক নিজ মাকে পাহাড়া দিয়ে থাকার জঘন‍্য পাপ কাজে নিয়োজিত রয়েছে। ইউনুস এসব জগাখিচুড়ীমূলক কান্ড ঘটিয়ে আওলাদের দাদা-দাদীর সংসারেও অদৃশ‍্য আগুন লাগিয়ে রেখেছে। এমনকি আওলাদের নামে আওলাদের পিতার পাঠানো টাকা-পয়সার বেশীরভাগ টাকা আওলাদের প্রেমিকারূপী মুক্তার পিছনে ব‍্যায়ের জন‍্য খসিয়ে দিতে দেখা গেছে। একইভাবে আওলাদের মাতা কর্তৃক আওলাদকে দেওয়া পারিবারিক কাজের টাকার অনেকাংশই মুক্তার পিছনে ব‍্যায়ের জন‍্য খসিয়ে দেওয়া হয় বলে খবর পাওয়া গেছে। ইউনুস নানা রকম ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করে তার আপন ভাই হান্নান ও মন্নানের সংসারের অনেক টাকা-পয়সা আত্মসাৎ করেছে। এই সকল বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই মন্নান ও হান্নানের মধ‍্যে খুনাখুনী হওয়ার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এছাড়াও এলাকায় একজনের সাথে আরেকজনের হিংসাত্মক ও সহিংস ঘটনায় ইউনুস গুপ্ত ইন্দন-প্ররোচনা-মদদ দিয়ে সহায়তা করে থাকে। এই ধরনের সহিংসতা ও হিংসাত্মক কাজে ইউনুস এলাকার সন্ত্রাসবাদী দর্জি বাহিনীর প্রভাব ব‍্যবহার করে থাকে। এলাকায় কারো কোন অসুখ-বিসুখ হলেই সেই ব‍্যাপারে ইউনুস চিকিৎসার দালালীতে প্রবেশ করে। চিকিৎসা দালালীতে ইউনুস মালেক বেপারীর ছেলে সিরাজকে হাতে রাখে এবং চিকিৎসা দালালীর মধ‍্য হতে উপার্জিত অর্থ সিরাজ ও ইউনুস ভাগাভাগি করে আত্মসাৎ করার খবর পাওয়া গেছে। এমনকি দালালীর টাকা আত্মসাত করতে না পারলে ইউনুস-সিরাজ গ‍্যাং অসুখ-বিসুখে পড়া রোগীকে খুন করতেও দ্বিধাবোধ করে না। এই ভাবে অসুস্থ রোগী ভালো করার নামে চিকিৎসা দালালীর টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে ইউনুস-সিরাজ গ‍্যাং এলাকার মানিকের মাকে পদ্ধতিগতভাবে খুন করিয়ে দিতেও দ্বিধাবোধ করে নাই। এমনকি ইউনুস-সিরাজ গ‍্যাং মানিকের বৃদ্ধ মাকে সুচিকিৎসা করিয়ে দেওয়ার সুযোগ‍্য কাউকে এগিয়ে আসতেও দেয় নাই। ইউনুস-সিরাজ গ‍্যাং চক্র এই ধরনের আরো বহু জঘন‍্য ঘৃন‍্য ও মানবতা বিরোধী কাজ করেছে। তাই ভোলা জেলার বিজ্ঞ মহল ঐ লবন সন্ত্রাসী গ‍্যাং চক্রের ও ইউনুস-সিরাজ গ‍্যাং চক্রের চির ধ্বংস কামনা করেছে এবং রাষ্ট্রীয় সর্ব স্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ছবিতে – সন্ত্রাসী ইউনুস তার ভাইদের উপর নাশকতা ছড়াতে এলাকার আরেক বাসিন্দা (সাদা পাঞ্জাবি পরিহিত) আলমগীর গুন্ডার সাথে শলা-পরামর্শ করতে দেখা গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.