সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের শেলবরিষা গ্রামের একতা বাজার এলাকায় গত ২৫ জুলাই সোমবার ,বরখাস্ত পুলিশ কর্মকর্তা মুসা (৪০) কর্তৃক ধর্ম অবমাননাকর ও নবীকে নিয়ে কটুক্তি মুলক বক্তব্য দেয় , ধর্ম অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদে মুসুল্লিগন প্রতিবাদ করলে মুসুল্লিদের সাথে বাক-বিতন্ডতার এক পর্যায়ে মুসুল্লি সবুজ মিয়ার সাথে ঐ বরখাস্ত পুলিশ কর্মকর্তার ধস্তাধস্তি লেগে যায়।

অন্যান্য মুসুল্লিগন তাৎক্ষনিক বিষয়টি মিমাংসা করে দুইজন কে বাড়ী পাঠিয়ে দেন।
এ ঘটনার একদিন পর ব্যবসায়ী সবুজ মিঞা ব্যাংকে টি টি করার জন্য বাড়ী থেকে বের হয়ে নির্জন স্থানে পৌছলে,আগে থেকে ওতপেতে থাকা মুসা,মজনু,রকী সহ ছয়-সাত জন সন্ত্রাসী সবুজ মিয়ার উপর অতর্কিত ভাবে সন্ত্রাসী হামলা করে তার কাছে থাকা দশ লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেয়,সবুজ মিয়ার চিৎকারে পাশের মার্কেটের লোকজন এগিয়ে আসলে, মুসা ও তার গ্যাং বিপদ বুঝে পালিয়ে যায়।

পরে এলাকাবাসী আহত সবুজ মিয়াকে উদ্ধার করে বেলকুচি সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
এ বিষয়ে সবুজ মিঞার নিকট জানতে চাইলে সবুজ মিয়া জানান, শেলবরিষা গ্রামের মৃত হানিফ এর ছেলে নাস্তিক মুসা ও তার নেশাখোঁর দল ,”কালেমার দাওয়াত “নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্ম অবমাননাকর বিভিন্ন বক্তব্য প্রচার করে এবং বিভিন্ন প্রকার মাদক দ্রব্য সেবন ও বিক্রি করে আসছে দির্ঘ্যদিন যাবত।

ঘটনার দিন বাদ আসর একতার বাজার এলাকায় তপন এর চাষ্টল এর সামনে ধর্ম অবমাননাকর বক্তব্য দিতে থাকেন, উপস্থিত মুসুল্লিগন বাধা দিলে মুসা অশালিন ভাষায় গালিগালাজ করে,আমিও বাধা দিলে আমাকে মারতে তেরে আশে,মুসুল্লিগন তাৎক্ষনিক বিষয়টি মিমাংসা করে দেন , পরে আমি বাড়ীতে চলে যাই।

ঘটনার একদিন পর ২৭ জুলাই বুধবার সকাল এগারোটার সময় আমি আমার মুড়ির মিলের জন্য ৪০০ বস্তা চাল ক্রয় বাবদ দশ লক্ষ টাকা ব্যাংকে টি টি করার জন্য বাড়ী থেকে বের হই, নির্জন স্থানে পৌছলে,আগে থেকে ওতপেতে থাকা মুসা,মজনু,রকী সহ ছয়-সাত জন সন্ত্রাসী আমার উপর অতর্কিত ভাবে সন্ত্রাসী হামলা করে আমার কাছে থাকা দশ লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেয়,আমি চিৎকার দিলে পাশের মার্কেটের লোকজন এগিয়ে আসলে, মুসা ও তার গ্যাং বিপদ বুঝে পালিয়ে যায়,লোকজন আমাকে উদ্ধার করে বেলকুচি সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। মুসার ভাই পুলিশের সার্কেল এসপি হওয়ার কারণে তার ব্যাপারে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।আমি এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

এ বিষয়ে ভাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়নে ৯ নং ওয়ার্ড মেম্বার নুরনবী জানান ঘটনাটি সত্য এবং এই কথিত পীরের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানায় এই কথিত পীর মূসা একজন গাজা সেবন কারী ও গাজা ব্যবসায়ী। তার বড় ভাই পুলিশের উচ্চ পদে চাকরি করার কারনে কেউ তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মুসার সাথে মুঠো ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে বেলকুচি থানার ওসি তাজমিলুর রহমান জানান, এ বিষয়ে বেলকুচি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্ৰহন করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Don`t copy text!
%d bloggers like this: