বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থানে অবৈধভাবে ৭’শ ৪০ বস্তা রাসায়নিক সার মজুদ করায় এক ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (৩০আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৫টায় শিবগঞ্জ উপজেলার রায়নগর ইউনিয়নের মহাস্থান গো-হাটির পশ্চিমপাশে একটি গোডাউনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন, শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উন্মে কুলসুম সম্পা। এসময় সার ব্যবসায়ী ফরহাদ উদ্দিনের গোডাউনে অবৈধভাবে মজুদকৃত প্রায় ৭’শ ৪০ বস্তা সার জব্দ করা হয়। যার মধ্যে টিএসপি ৪০০ বস্তা, ডিএমপি (পটাশ) ৪০ বস্তা, ডিএপি ৩০০ বস্তা। অবৈধভাবে সার মজুদের দায়ে তাৎক্ষণিক ফরহাদ উদ্দিনের ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, সার ব্যবসায়ী ফরহাদ উদ্দিন এর কোন ডিলার কিংবা মজুদ রাখার লাইসেন্স নেই। সে অন্যান্য ডিলারদের কাছ থেকে অন্য উপায়ে সার কিনে এনে বেশি দামে বিক্রি করে।
এবিষয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও উন্মে কুলসুম সম্পা বলেন, মহাস্থান শাহ সুলতান আলীম মাদ্রাসার পিছনে গোপন গোডাউনে কালোবাজারে বিক্রির জন্য অবৈধভাবে সার মজুত করা হয়েছে। এমন সংবাদ পেয়ে কৃষি কর্মকর্তা আল মোজাহিদ সরকার ও শিবগঞ্জ থানার এসআই স্বপন মিয়াসহ সঙ্গী ফোর্স ওই গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ৭’শ ৪০ বস্তা সার জব্দ করা হয়।
কৃষি কর্মকর্তা আল মোজাহিদ বলেন, সাধারণত ধান চাষের সময় বেশি সারের চাহিদা থাকলেও অন্যান্য সময় শিথিল থেকে যায়। এ সময় এসব ব্যবসায়ীরা অগোচরে সার কিনে মজুদ রেখে বাজার কৃত্রিম সংকট তৈরী করে চড়া দামে বিক্রি করে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উন্মে কুলসুম সম্পা পরে অবৈধভাবে সার মজুদ করায় সার ব্যবস্থাপনা ২০০৬ আইনের ১২ ধারায় ব্যবসায়ী ফরহাদকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জব্দকৃত সার কৃষি কর্মকর্তার জিম্মায় দিয়ে সরকারি মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রয়ের জন্য তাকে নির্দেশনা প্রদান করেন। ইউএনও আরও বলেন, অবৈধভাবে সার মজুদ করে বাজার কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন রায়নগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য বেলাল মন্ডল।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Don`t copy text!