করোনাভাইরাসকে উপেক্ষা করে ও স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করেই দর্শনার্থীদের পদচারণে মুখরিত চলবিল অঞ্চল। একদিকে করোনা ভাইরাস অপরদিকে বন্যার পানি নিমজ্জিত পথ-ঘাটসহ বিভিন্ন এলাকা। তারমাঝেও চলনবিলের পাদদেশ ভ্রমনপিয়াসুদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে।

দেশের সর্ববৃহৎ বিল চলনবিল। বর্ষা মৌসুম ও ঈদকে কেন্দ্র করে চলনবিলে ভ্রমণ পিপাসুদের ঢল নেমেছে। ঈদুল আজহার ছুটিতে বিভিন্ন বয়সী হাজার হাজার মানুষ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগে ছুটে আসছেন এখানে। চলনবিলের মধ্যে দিয়ে হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কের সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার ৮, ৯ ও ১০ নং ব্রীজ এলাকায় হাজারো লোকের সমাগম হচ্ছে।

বর্ষাকালে বিলের ভেতরের গ্রামগুলো দেখতে দ্বীপের মত মনে হয়। ডুবন্ত সড়কে হেঁটে বেড়ানোসহ বিলের পানিতে সাঁতার কাটা ও নৌকা ভ্রমণ করে সময় কাটান দর্শনার্থীরা। বিশেষ করে সপ্তাহের শুক্রবার দর্শনার্থীদের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠে। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসে এখানে। নাটোর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, রাজশাহী এমনকি রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ভ্রমণ পিপাসুরা ছুটে আসছেন চলনবিলে।

বর্ষায় এ সড়ক দিয়ে যেমন মাইক্রো, বাইক, অটোসহ ছোট যানবাহন চলাচল করে তেমনি ডুবন্ত রাস্তার ওপর দিয়ে নৌকা চলে যা সত্যিই মনোমুগ্ধকর। তাছাড়া পর্যটকদের চাহিদা মেটাতে চলনবিল অধ্যুষিত সিংড়ায় গড়ে উঠেছে চলনবিল পর্যটন পার্ক। শিশুদের জন্য বিভিন্ন রাইড রয়েছে।

দর্শনাথী আরিফুল ইসলাম বলেন, করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক তো রয়েছেই। তারপরেও একটু বিনোদনের জন্য পরিবারের সবাইকে নিয়ে চলনবিলে ঘুরতে আসা। পানিতে একাকার চলনবিল। দেখতে অপরুপ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.